Home / জাতীয় / বন কেটে রোহিঙ্গাদের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে মসজিদ-মাদ্রাসা

বন কেটে রোহিঙ্গাদের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে মসজিদ-মাদ্রাসা

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং বনভূমির বিশাল এলাকাজুড়ে এখন মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বসবাস। এখানে ঠাই পেয়েছে ছয় লাখ রোহিঙ্গা। এরই পাশাপাশি তাদের ইবাদত এবং ধর্মীয় শিক্ষার জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে পাকা ভবনের মসজিদ-মাদ্রাসা। এ সুযোগে এসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে থাকার ব্যবস্থাও করে নিচ্ছেন রোহিঙ্গারা। তবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নিজ উদ্যোগে এসব মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণে সহায়তা করছেন বলে জানা গেছে।

তবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া মসজিদ মাদ্রাসা নির্মাণকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখবেন। নেতিবাচক কোনো কিছুর আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণকে স্থানীয়রা সাধুবাদ জানালেও এসবের সঠিক পরিসংখ্যান রাখার দাবি জানান তারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রোহিঙ্গাদের বসতি নির্মাণের ফলে কাটা হচ্ছে সবুজ গাছ। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে হারিয়ে যাচ্ছে সবুজের সমারোহ। মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গারা ফসলি জমি, বনের গাছ আর পাহাড় কেটে বসতি গড়ে তোলায় বদলে যাচ্ছে পরিবেশ। এতে নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক ভারসাম্য।

মাত্র দুই মাস আগেও সবুজে ঘেরা ছিল বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত। কিন্তু এখন তা পরিণত হয়েছে বিরান ভূমিতে। মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গারা নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে কয়েক হাজার একর পাহাড়ি ভূমি দখল করে তৈরি করেছে বসতি। বনজ ও ফলদ বাগান উজাড় করার পাশাপাশি জমিতেও ঘরবাড়ি তুলছে রোহিঙ্গারা।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, এমন অবস্থা চলতে থাকলে ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়বে গোটা এলাকা। পাহাড়ে আবারো সবুজের আবহ ফিরিয়ে আনতে বড় আকারে বনায়ন কর্মসূচি চান তারা।

গেলো ২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি সীমান্ত চৌকিতে দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনায় রোহিঙ্গা দমন অভিযান শুরু করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এরপর থেকে নির্যাতিত হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা। জাতিসংঘ একে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় বলে অভিহিত করেছে।

Check Also

পেপ্যাল-জুম সেবার উদ্বোধন করলেন জয়

প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় পেপ্যাল-জুম সার্ভিস উদ্বোধন করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে পেপ্যাল-জুম সার্ভিস …

Leave a Reply

Your email address will not be published.